• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

Public concern: Skin disease scabies has spread in Rajshahi’s Charghat

Md. Ramzan Ali Rajshahi Bureau: / ২৯ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

৩৪

Scabies or scabies disease has spread at an alarming rate in Charghat, Rajshahi. Especially, in addition to students of various madrasas and orphanages in the upazila, women affected by this contagious disease are also being affected in large numbers, which is much higher than the normal level. More than a hundred patients from different areas of the upazila are coming to the Upazila Health Complex every day for treatment of scabies. In addition, many people affected by this disease are rushing to the outpatient department of Rajshahi Medical Hospital for advanced treatment.

চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মিলটন কুমার বলেন, স্ক্যাবিস মাঝে মাঝেই হয়। তবে আবহাওয়া বদলজনিত পরিস্থিতিতে প্রকোপ বাড়ে। যেহেতু স্ক্যাবিস ত্বকের একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই বসবাসের জায়গা বিশেষ করে ঘরবাড়ি, মেস, কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিম খানাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছাড়াও নারীদের মাঝে স্ক্যাবিস সংক্রমণ ব্যাপক সংখ্যায় বেড়েছে। আগে যেখানে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ জন রোগী আসতেন উপজেলা হাসপাতালে স্ক্যাবিসের সমস্যা নিয়ে। এখন দৈনিক গড়ে অর্ধ শতাধিক রোগী আসছেন বিভিন্ন বয়সের রোগী। আক্রান্ত অনেকেই বলছেন, করোনার টিকা গ্রহণের পর থেকে অনেকের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন প্রতিষেধকের কার্যকারিতা কমে গেছে। সাধারণ সমস্যায় ভালো মানের ওষুধ খেয়েও কাজ হয় না। তবে স্ক্যাবিস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে করোনার টিকার প্রতিকূল প্রভাব রয়েছে কি না-খুঁজে দেখা দরকার। দৈনিক এত সংখ্যক স্ক্যাবিসে আক্রান্ত রোগী এখন আসছেন যা আগে কোনো দিন দেখা যায়নি। চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসা নিতে আসা রায়পুর এলাকার লুৎফুন্নেছা, রাবেয়া, সুমিসহ একাধিক নারী বলেন, প্রথমে এমনি শরীর চুলকাতো। পরে কয়েক দিনে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্নধরনের ক্রিম,লোশন ও ট্যাবলেট খেয়েও ভালো হচ্ছেনা। অপর দিকে সাবিনা, হাওয়া বেগম, রবিউল ইসলাম, সুমন আলীসহ একাধিক রোগীর অভিযোগ করোনার টিকা নেয়ার পর থেকে এমন রোগ বাসা বেধেছে শরীরে।
ডা: মিলটন বলেন, স্ক্যাবিসে আক্রান্ত সব বয়সের রোগীর সঙ্গে শিশুরাও আসছে আউটডোরে। যদিও শিশু আক্রান্তের সংখ্যাটা কম। স্ক্যাবিসে আক্রান্ত রোগীদের সংক্ষিপ্ত হিস্ট্রি নিয়ে দেখা যাচ্ছে তাদের মধ্যে যেসব মাদ্রাসায় একসঙ্গে অনেক আবাসিক শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে থাকেন, ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের কেউ একজন স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হলে সাধারণ চুলকানি বলে চিকিৎসা নেন না। ফলে ততদিনে পরিবারের সবাই আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। অনেকেই ওষুধের কোর্স কমপ্লিট না করার কারণে আবার আক্রান্ত হচ্ছেন। অসচেতনতার কারণে স্ক্যাবিস নিরাময়ের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যেহেতু স্ক্যাবিস ত্বকে ছড়ায় ফলে সহজেই আরেক জনের ত্বকে গিয়ে সংক্রমণ ঘটাচ্ছে। এজন্য পরিবারের একজন ওষুধ ব্যবহার করলে বাকি সবাইকে একই ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়াও সব সময় ঘর বাড়ীসহসব কিছুই পরিস্কার পরিছন্ন রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক মিলটন কুমার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category